"আমার মুড পুরোপুরি আমার নিজের" 

Oct 8, 2026 - 19:18
 0  1
"আমার মুড পুরোপুরি আমার নিজের" 
রুপালি পর্দার চাকচিক্য পেরিয়ে নীলের মায়ায় ধরা দিলেন অভিনেত্রী জয়া আহসানে । বাংলাদেশও কলকাতায় অনবদ্য অভিনয় দক্ষতা ও বৈচিত্র্যময় চরিত্রের রূপায়ণে তিনি নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। অভিনয়ের প্রতি নিষ্ঠা এবং কাজের নিখুঁত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তিনি সমসাময়িক চলচ্চিত্র অঙ্গনে এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী তারকায় পরিণত হয়েছেন। 
 
বয়স যতই বাড়ছে, জয়া আহসানকে দেখলে মনে হয় ঘড়ির কাঁটা যেন উল্টো পথে হাঁটছে। রুপালি পর্দার চেনা গ্ল্যামার ছাপিয়ে নীল রঙের পোশাকে ক্যামেরার সামনে ধরা দেওয়া এই অভিনেত্রীর নতুন ছবিগুলো দেখে ফের একবার সেটাই মনে হলো। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার চেহারার দীপ্তি যেন কমতির বদলে বেড়েই চলেছে। আপাতত ছোটপর্দা নিয়েই থাকতে চাই : তটিনী
 
‘রূপে আছে নেশা, চোখে ছলনা...’
সিনেমার জাঁকজমক বা আভিজাত্যের বাইরে জয়ার একটা নিজস্ব জগত আছে, যেখানে তিনি ভীষণ নিপাট ও প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে ভালোবাসেন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা খোলামেলা না হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সরব উপস্থিতি সব সময়ই অনুরাগীদের নজর কাড়ে। 
 
সম্প্রতি ফেসবুকে একগুচ্ছ নতুন ছবি শেয়ার করেছেন এই প্রিয় অভিনেত্রী। নীল রঙের আবেশে ঘেরা ছবিগুলোতে তার চোখের চাহনি বিশেষভাবে কেড়েছে নেটিজেনদের দৃষ্টি।   অনেকেরই মন্তব্য, সময় ফুরিয়ে যাওয়ার বদলে জয়ার বয়স যেন দিন দিন উল্টো দিকে কমছে। ছবিগুলোর ক্যাপশনে জয়া নিজেই লিখেছেন, নীল রং আমাতেই সাজে, আর আমার মুড পুরোপুরি আমার নিজের।
 
 
এদিকে কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা জয়ার রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। রুবেল নামে এক ভক্ত লিখেছেন, আমি ছোটবেলা যেমন দেখছি এখনো ঐরকম দিখি। সালাউদ্দিন নামে একজন লিখেছেন, হুম, জানি আমার বিরহে কাতর হয়ে আছো, তাই বলে গরমে এই জামা পরে নিজেরে কষ্ট দেয়ার মানে আছে? আরেকটা কথা, হেব্বি লাগছে। হুমায়ূন কবীর লিখেছেন, নীড় রং দেখলে মনটা জানি কেমন হয়ে যায়। সুন্দর অনেক সুন্দর। শারমিন ফারা লিখেছেন, ওনি দিন দিন আরো সুন্দর হয়ে যাচ্ছে। আরেকজন লিখেছেন, নীলটা আপনার ওপর যতটা সুন্দর, তার চেয়েও সুন্দর আপনার mood, পুরো vibe-টাই একদম নিজের মতো।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।